ঢাকা ০১:২৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo অর্থাভাবে থমকে যাওয়ার পথে শুভর পড়াশোনা, সহায়তায় এবিজি ফাউন্ডেশন Logo দেবীগঞ্জে স্বামীর রেখে যাওয়া সম্পত্তি দখলের অভিযোগ  Logo বিদেশে পড়াশোনার সুযোগ জানতে বসছে আন্তর্জাতিক শিক্ষা মেলা Logo অটিজমে অবদান থেকে সম্মানসূচক ডক্টরেট, আন্তর্জাতিক দুই স্বীকৃতি ইয়াশা সোবহানের Logo বিশ্ববিদ্যালয় ফুটবলে প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও সম্প্রীতির মঞ্চ এবিজি ইউনিভার্সিটি কাপ Logo এবিজি ইউনিভার্সিটি কাপ ২০২৬ শুরু, উদ্বোধনে সাবেক তারকা ক্রিকেটাররা Logo ইউরোপে পোশাকের বাজারে মন্দাভাব, উদ্বেগে বাংলাদেশের রপ্তানিকারকরা Logo ৩০ লাখ টাকার প্রাইজমানি, আজ শুরু মাঠের লড়াই Logo বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় জাপানের সহযোগিতা আরও বিস্তারের প্রত্যাশা Logo এবিজি ইউনিভার্সিটি কাপের ক্রিকেট ও ফুটবল ম্যাচের সময়সূচি একনজরে

মায়ের মৃত্যুর শোকে বারবার অচেতন, ১২ ঘণ্টার ব্যবধানে ছেলেরও মৃত্যু; একসঙ্গে জানাজা ও দাফন

স্টাফ রিপোর্টার:
  • আপডেট সময় : ০৪:৩৪:৫২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬ ২০ বার পড়া হয়েছে

দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে মায়ের মৃত্যুর শোক সইতে না পেরে বারবার অচেতন হয়ে পড়ার পর মারা গেছেন ছেলে। মাত্র ১২ ঘণ্টার ব্যবধানে মা ও ছেলের মৃত্যুতে পরিবার, স্বজন ও এলাকাবাসীর মধ্যে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) একই সময়ে মা ও ছেলের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে পারিবারিক গোরস্থানে পাশাপাশি তাঁদের দাফন করা হয়।

মারা যাওয়া মা হলেন সৈয়দা মাজেদা খাতুন (৭৫)। তিনি ফুলবাড়ী উপজেলার ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গোলাম মোস্তফা (জিএম) পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত ক্রীড়া শিক্ষক সৈয়দ মাহমুদ চাঁদের স্ত্রী। আর তাঁর বড় ছেলে সৈয়দ মেজবাউর রশিদ সুমনের (৫৫) মৃত্যু হয়েছে মায়ের মৃত্যুর প্রায় ১২ ঘণ্টা পর।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, বুধবার (২১ অক্টোবর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে নিজ বাসভবনে মারা যান সৈয়দা মাজেদা খাতুন। মায়ের মৃত্যুর খবর ও শোকে ভেঙে পড়েন বড় ছেলে মেজবাউর রশিদ সুমন। এরপর বিকেল থেকে তিনি বারবার অচেতন হয়ে পড়ছিলেন। রাতে তাঁর শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি হলে তাঁকে ফুলবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে রাত সাড়ে ১১টার দিকে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

মায়ের মরদেহ বাড়িতে থাকা অবস্থায় ছেলের আকস্মিক মৃত্যুতে পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে গভীর শোকের সৃষ্টি হয়। একই সঙ্গে মা ও ছেলেকে হারানোর ঘটনায় শোকাহত হয়ে পড়েন প্রতিবেশী ও এলাকাবাসীও।

বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) বেলা ১১টার দিকে বাড়ি থেকে মা ও ছেলের মরদেহ একসঙ্গে নিয়ে যাওয়া হয় পার্শ্ববর্তী বারকোনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে। সেখানে একই সময়ে তাঁদের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজা শেষে পারিবারিক গোরস্থানে পাশাপাশি তাঁদের দাফন করা হয়।

মা ও ছেলের এমন বিদায়ে পুরো এলাকায় নেমে আসে শোকের আবহ। একই দিনে একই সময়ে জানাজা ও পাশাপাশি দাফনের এই ঘটনা স্বজনদের মধ্যে গভীর বেদনার স্মৃতি হয়ে থাকবে।

Share this news as a Photo Card

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

22 October 2026

মায়ের মৃত্যুর শোকে বারবার অচেতন, ১২ ঘণ্টার ব্যবধানে ছেলেরও মৃত্যু; একসঙ্গে জানাজা ও দাফন

www.uttorersongbad.com

মায়ের মৃত্যুর শোকে বারবার অচেতন, ১২ ঘণ্টার ব্যবধানে ছেলেরও মৃত্যু; একসঙ্গে জানাজা ও দাফন

আপডেট সময় : ০৪:৩৪:৫২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬

দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে মায়ের মৃত্যুর শোক সইতে না পেরে বারবার অচেতন হয়ে পড়ার পর মারা গেছেন ছেলে। মাত্র ১২ ঘণ্টার ব্যবধানে মা ও ছেলের মৃত্যুতে পরিবার, স্বজন ও এলাকাবাসীর মধ্যে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) একই সময়ে মা ও ছেলের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে পারিবারিক গোরস্থানে পাশাপাশি তাঁদের দাফন করা হয়।

মারা যাওয়া মা হলেন সৈয়দা মাজেদা খাতুন (৭৫)। তিনি ফুলবাড়ী উপজেলার ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গোলাম মোস্তফা (জিএম) পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত ক্রীড়া শিক্ষক সৈয়দ মাহমুদ চাঁদের স্ত্রী। আর তাঁর বড় ছেলে সৈয়দ মেজবাউর রশিদ সুমনের (৫৫) মৃত্যু হয়েছে মায়ের মৃত্যুর প্রায় ১২ ঘণ্টা পর।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, বুধবার (২১ অক্টোবর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে নিজ বাসভবনে মারা যান সৈয়দা মাজেদা খাতুন। মায়ের মৃত্যুর খবর ও শোকে ভেঙে পড়েন বড় ছেলে মেজবাউর রশিদ সুমন। এরপর বিকেল থেকে তিনি বারবার অচেতন হয়ে পড়ছিলেন। রাতে তাঁর শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি হলে তাঁকে ফুলবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে রাত সাড়ে ১১টার দিকে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

মায়ের মরদেহ বাড়িতে থাকা অবস্থায় ছেলের আকস্মিক মৃত্যুতে পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে গভীর শোকের সৃষ্টি হয়। একই সঙ্গে মা ও ছেলেকে হারানোর ঘটনায় শোকাহত হয়ে পড়েন প্রতিবেশী ও এলাকাবাসীও।

বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) বেলা ১১টার দিকে বাড়ি থেকে মা ও ছেলের মরদেহ একসঙ্গে নিয়ে যাওয়া হয় পার্শ্ববর্তী বারকোনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে। সেখানে একই সময়ে তাঁদের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজা শেষে পারিবারিক গোরস্থানে পাশাপাশি তাঁদের দাফন করা হয়।

মা ও ছেলের এমন বিদায়ে পুরো এলাকায় নেমে আসে শোকের আবহ। একই দিনে একই সময়ে জানাজা ও পাশাপাশি দাফনের এই ঘটনা স্বজনদের মধ্যে গভীর বেদনার স্মৃতি হয়ে থাকবে।

Share this news as a Photo Card