ঢাকা ০১:৩১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo অর্থাভাবে থমকে যাওয়ার পথে শুভর পড়াশোনা, সহায়তায় এবিজি ফাউন্ডেশন Logo দেবীগঞ্জে স্বামীর রেখে যাওয়া সম্পত্তি দখলের অভিযোগ  Logo বিদেশে পড়াশোনার সুযোগ জানতে বসছে আন্তর্জাতিক শিক্ষা মেলা Logo অটিজমে অবদান থেকে সম্মানসূচক ডক্টরেট, আন্তর্জাতিক দুই স্বীকৃতি ইয়াশা সোবহানের Logo বিশ্ববিদ্যালয় ফুটবলে প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও সম্প্রীতির মঞ্চ এবিজি ইউনিভার্সিটি কাপ Logo এবিজি ইউনিভার্সিটি কাপ ২০২৬ শুরু, উদ্বোধনে সাবেক তারকা ক্রিকেটাররা Logo ইউরোপে পোশাকের বাজারে মন্দাভাব, উদ্বেগে বাংলাদেশের রপ্তানিকারকরা Logo ৩০ লাখ টাকার প্রাইজমানি, আজ শুরু মাঠের লড়াই Logo বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় জাপানের সহযোগিতা আরও বিস্তারের প্রত্যাশা Logo এবিজি ইউনিভার্সিটি কাপের ক্রিকেট ও ফুটবল ম্যাচের সময়সূচি একনজরে

সৌদি আরবে পাঠিয়েও আকামা ও কাজের ব্যবস্থা না করার অভিযোগ, স্ট্যাম্পে চুক্তি করেও প্রতারণা

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ১০:৪৯:১০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬ ২৮ বার পড়া হয়েছে

দেবীগঞ্জে সৌদি আরবে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে দেওয়ার আশ্বাসে এক নারীর কাছ থেকে ৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা নেওয়ার পর তাঁর স্বামীকে সৌদি আরবে পাঠালেও আকামা ও কাজের ব্যবস্থা করে না দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে দুই ব্যক্তির বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় প্রতিকার চেয়ে আদালতে মামলা করেছেন ভুক্তভোগী নারী। অভিযোগ অনুযায়ী, ৩০০ টাকার নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে দুই পক্ষের স্বাক্ষর নিয়ে চুক্তিও করা হয়েছিল।

আদালতে দাখিল করা অভিযোগপত্র সূত্রে জানা যায়, মামলার বাদী মোছা. তাসমিন আক্তার (২৫)। তাঁর স্বামী আব্দুর রউফ। মামলায় অভিযুক্ত হিসেবে মো. কাইয়ুম (৩৮) ও মো. সপিকুল ইসলাম (৪০)-এর নাম উল্লেখ করা হয়েছে। অভিযুক্তদের বাড়ি নীলফামারীর ডোমার উপজেলার খাটুরিয়া এলাকায় বলে জানা গেছে। অন্যদিকে, ভুক্তভোগী পরিবারের বাড়ি পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ উপজেলার চিলাহাটি ইউনিয়নের বানিয়াপাড়া এলাকায়।
১৫ মাসের আকামা ও কাজের আশ্বাসে টাকা
তাসমিন আক্তার বলেন, তাঁর স্বামীকে সৌদি আরবে পাঠিয়ে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে দেওয়ার আশ্বাস দেন অভিযুক্তরা। তাঁদের কথায় বিশ্বাস করে তিনি ও তাঁর শ্বশুরবাড়ির লোকজন বিদেশে পাঠানো এবং চাকরির ব্যবস্থা করার জন্য অভিযুক্তদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। একপর্যায়ে গত ২০ মে ২০২৬ তারিখে সৌদি আরবে পাঠানো ও সংশ্লিষ্ট প্রক্রিয়ার জন্য ৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।
চিলাহাটি ইউনিয়নের বানিয়াপাড়া এলাকার দোয়ামিন বলেন, “আমি, আব্দুর রউফ ও আরও কয়েকজন মিলে আব্দুল কাইয়ুমের বাড়িতে গিয়ে ৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা দিই। আব্দুল কাইয়ুম ও সপিকুল আমাদের আশ্বস্ত করেন, স্ট্যাম্পে চুক্তি করা হচ্ছে। আব্দুর রউফকে সৌদি আরবে পাঠিয়ে ১৫ মাসের আকামা ও কাজের ব্যবস্থা করে দেওয়া হবে। মাসিক বেতন হবে ১ লাখ ১৮ হাজার টাকা। প্রতিদিন ১০ ঘণ্টা কাজ করলে ওই বেতন পাওয়া যাবে, আর কম কাজ করলে বেতনও কম হবে—এমন শর্তে ৩০০ টাকার স্ট্যাম্পে দুই পক্ষের স্বাক্ষর নেওয়া হয়।”
সৌদিতে গিয়ে কাজ না পাওয়ার অভিযোগ
তাসমিন আক্তারের অভিযোগ, তাঁর স্বামীকে সৌদি আরবে পাঠানোর পর মাত্র ১৫ দিনের আকামা করে দেওয়া হয়। কিন্তু তাঁকে কোনো কাজ দেওয়া হয়নি। আকামার মেয়াদ শেষ হওয়ার পর সপিকুলের ছেলে লাবুর সঙ্গে যোগাযোগের ব্যবস্থা করে দেন অভিযুক্তরা। পরে আব্দুর রউফ লাবুর সঙ্গে দেখা করতে গেলে তাঁদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে লাবু তাঁকে সেখান থেকে বের করে দেন বলে অভিযোগ করেন তাসমিন।
তিনি আরও বলেন, বর্তমানে তাঁর স্বামী সৌদি আরবে পুলিশের ভয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। বাড়ি থেকে টাকা পাঠানো হলে কোনো রকমে খেয়ে না খেয়ে দিন কাটাচ্ছেন তিনি। স্বামীর এমন পরিস্থিতিতে পুরো পরিবার চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছে।
ঋণ ও দুশ্চিন্তায় মানবেতর জীবন
তাসমিন আক্তার অভিযোগ করেন, স্বামীকে বিদেশে পাঠানোর জন্য তাঁদের পরিবারের সবকিছু বিক্রি করতে হয়েছে এবং ঋণও নিতে হয়েছে। কিন্তু প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী কাজ ও আকামার ব্যবস্থা না হওয়ায় এখন ঋণের বোঝা নিয়ে দুই সন্তানকে নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন তিনি।
তাঁর দাবি, অভিযুক্ত আব্দুল কাইয়ুম ও সপিকুলের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও সাড়া পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে স্বামীর বর্তমান অবস্থা নিয়ে উদ্বেগের পাশাপাশি ঋণের টাকা পরিশোধ করা নিয়েও দুশ্চিন্তায় রয়েছেন তিনি।

আব্দুর রউফের মা বলেন, “আমার ছেলে এখন কেমন আছে, তা জানি না। আমি চাই, আমার সন্তানকে সুস্থভাবে আমার কাছে ফিরিয়ে আনা হোক। পাশাপাশি আমরা যে টাকা দিয়েছি, তা ফেরত পাওয়ার জন্য প্রশাসনের কাছে জোর দাবি জানাচ্ছি। আমার স্বামী খুব অসুস্থ। ছেলের চিন্তায় আমিও অসুস্থ হয়ে পড়েছি।”
আদালতের দ্বারস্থ ভুক্তভোগী পরিবার
অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী আকামা ও কাজের ব্যবস্থা না পাওয়ায় এবং অভিযুক্তদের কাছ থেকে প্রতিকার না মেলায় ভুক্তভোগী পরিবার আইনি আশ্রয় নিয়েছে। মামলায় ২০১৩ সালের বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও অভিবাসী আইন অনুযায়ী অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদন জানানো হয়েছে।
অভিযুক্ত আব্দুল কাইয়ুম বলেন,আব্দুর রউফকে সৌদি আরব পাঠিয়েছি আকামাও করে দিয়েছি সে কাজ না করে অন্য যায়গায় চলে গেছে।
সপিকুলের ছেলে লাবু বলেন, আব্দুর রউফ কে কাজ দিয়েছি কিন্তু সে কাজ না করে ওমরার কথা বলে আমার এখান থেকে চলে গেছে।আর ওর সাথে কোন হাতাহাতি হয়নি।তাকে কাজ দিলে কাজ না করে অন্য যায়গায় চলে গেলে কিভাবে কাজ দিব।বর্তমানে সৌদি সরকার আকামা বন্ধ করে দিছে তাই আকামা করে দিতে পারি নাই কিন্তু আমি বলেছি আমার এখানে কাজ করলে পুলিশ প্রশাসন আমি দেখব।

Share this news as a Photo Card

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

20 October 2026

সৌদি আরবে পাঠিয়েও আকামা ও কাজের ব্যবস্থা না করার অভিযোগ, স্ট্যাম্পে চুক্তি করেও প্রতারণা

www.uttorersongbad.com

সৌদি আরবে পাঠিয়েও আকামা ও কাজের ব্যবস্থা না করার অভিযোগ, স্ট্যাম্পে চুক্তি করেও প্রতারণা

আপডেট সময় : ১০:৪৯:১০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬

দেবীগঞ্জে সৌদি আরবে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে দেওয়ার আশ্বাসে এক নারীর কাছ থেকে ৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা নেওয়ার পর তাঁর স্বামীকে সৌদি আরবে পাঠালেও আকামা ও কাজের ব্যবস্থা করে না দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে দুই ব্যক্তির বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় প্রতিকার চেয়ে আদালতে মামলা করেছেন ভুক্তভোগী নারী। অভিযোগ অনুযায়ী, ৩০০ টাকার নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে দুই পক্ষের স্বাক্ষর নিয়ে চুক্তিও করা হয়েছিল।

আদালতে দাখিল করা অভিযোগপত্র সূত্রে জানা যায়, মামলার বাদী মোছা. তাসমিন আক্তার (২৫)। তাঁর স্বামী আব্দুর রউফ। মামলায় অভিযুক্ত হিসেবে মো. কাইয়ুম (৩৮) ও মো. সপিকুল ইসলাম (৪০)-এর নাম উল্লেখ করা হয়েছে। অভিযুক্তদের বাড়ি নীলফামারীর ডোমার উপজেলার খাটুরিয়া এলাকায় বলে জানা গেছে। অন্যদিকে, ভুক্তভোগী পরিবারের বাড়ি পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ উপজেলার চিলাহাটি ইউনিয়নের বানিয়াপাড়া এলাকায়।
১৫ মাসের আকামা ও কাজের আশ্বাসে টাকা
তাসমিন আক্তার বলেন, তাঁর স্বামীকে সৌদি আরবে পাঠিয়ে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে দেওয়ার আশ্বাস দেন অভিযুক্তরা। তাঁদের কথায় বিশ্বাস করে তিনি ও তাঁর শ্বশুরবাড়ির লোকজন বিদেশে পাঠানো এবং চাকরির ব্যবস্থা করার জন্য অভিযুক্তদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। একপর্যায়ে গত ২০ মে ২০২৬ তারিখে সৌদি আরবে পাঠানো ও সংশ্লিষ্ট প্রক্রিয়ার জন্য ৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।
চিলাহাটি ইউনিয়নের বানিয়াপাড়া এলাকার দোয়ামিন বলেন, “আমি, আব্দুর রউফ ও আরও কয়েকজন মিলে আব্দুল কাইয়ুমের বাড়িতে গিয়ে ৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা দিই। আব্দুল কাইয়ুম ও সপিকুল আমাদের আশ্বস্ত করেন, স্ট্যাম্পে চুক্তি করা হচ্ছে। আব্দুর রউফকে সৌদি আরবে পাঠিয়ে ১৫ মাসের আকামা ও কাজের ব্যবস্থা করে দেওয়া হবে। মাসিক বেতন হবে ১ লাখ ১৮ হাজার টাকা। প্রতিদিন ১০ ঘণ্টা কাজ করলে ওই বেতন পাওয়া যাবে, আর কম কাজ করলে বেতনও কম হবে—এমন শর্তে ৩০০ টাকার স্ট্যাম্পে দুই পক্ষের স্বাক্ষর নেওয়া হয়।”
সৌদিতে গিয়ে কাজ না পাওয়ার অভিযোগ
তাসমিন আক্তারের অভিযোগ, তাঁর স্বামীকে সৌদি আরবে পাঠানোর পর মাত্র ১৫ দিনের আকামা করে দেওয়া হয়। কিন্তু তাঁকে কোনো কাজ দেওয়া হয়নি। আকামার মেয়াদ শেষ হওয়ার পর সপিকুলের ছেলে লাবুর সঙ্গে যোগাযোগের ব্যবস্থা করে দেন অভিযুক্তরা। পরে আব্দুর রউফ লাবুর সঙ্গে দেখা করতে গেলে তাঁদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে লাবু তাঁকে সেখান থেকে বের করে দেন বলে অভিযোগ করেন তাসমিন।
তিনি আরও বলেন, বর্তমানে তাঁর স্বামী সৌদি আরবে পুলিশের ভয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। বাড়ি থেকে টাকা পাঠানো হলে কোনো রকমে খেয়ে না খেয়ে দিন কাটাচ্ছেন তিনি। স্বামীর এমন পরিস্থিতিতে পুরো পরিবার চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছে।
ঋণ ও দুশ্চিন্তায় মানবেতর জীবন
তাসমিন আক্তার অভিযোগ করেন, স্বামীকে বিদেশে পাঠানোর জন্য তাঁদের পরিবারের সবকিছু বিক্রি করতে হয়েছে এবং ঋণও নিতে হয়েছে। কিন্তু প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী কাজ ও আকামার ব্যবস্থা না হওয়ায় এখন ঋণের বোঝা নিয়ে দুই সন্তানকে নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন তিনি।
তাঁর দাবি, অভিযুক্ত আব্দুল কাইয়ুম ও সপিকুলের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও সাড়া পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে স্বামীর বর্তমান অবস্থা নিয়ে উদ্বেগের পাশাপাশি ঋণের টাকা পরিশোধ করা নিয়েও দুশ্চিন্তায় রয়েছেন তিনি।

আব্দুর রউফের মা বলেন, “আমার ছেলে এখন কেমন আছে, তা জানি না। আমি চাই, আমার সন্তানকে সুস্থভাবে আমার কাছে ফিরিয়ে আনা হোক। পাশাপাশি আমরা যে টাকা দিয়েছি, তা ফেরত পাওয়ার জন্য প্রশাসনের কাছে জোর দাবি জানাচ্ছি। আমার স্বামী খুব অসুস্থ। ছেলের চিন্তায় আমিও অসুস্থ হয়ে পড়েছি।”
আদালতের দ্বারস্থ ভুক্তভোগী পরিবার
অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী আকামা ও কাজের ব্যবস্থা না পাওয়ায় এবং অভিযুক্তদের কাছ থেকে প্রতিকার না মেলায় ভুক্তভোগী পরিবার আইনি আশ্রয় নিয়েছে। মামলায় ২০১৩ সালের বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও অভিবাসী আইন অনুযায়ী অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদন জানানো হয়েছে।
অভিযুক্ত আব্দুল কাইয়ুম বলেন,আব্দুর রউফকে সৌদি আরব পাঠিয়েছি আকামাও করে দিয়েছি সে কাজ না করে অন্য যায়গায় চলে গেছে।
সপিকুলের ছেলে লাবু বলেন, আব্দুর রউফ কে কাজ দিয়েছি কিন্তু সে কাজ না করে ওমরার কথা বলে আমার এখান থেকে চলে গেছে।আর ওর সাথে কোন হাতাহাতি হয়নি।তাকে কাজ দিলে কাজ না করে অন্য যায়গায় চলে গেলে কিভাবে কাজ দিব।বর্তমানে সৌদি সরকার আকামা বন্ধ করে দিছে তাই আকামা করে দিতে পারি নাই কিন্তু আমি বলেছি আমার এখানে কাজ করলে পুলিশ প্রশাসন আমি দেখব।

Share this news as a Photo Card