ঢাকা ০২:৩২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo অর্থাভাবে থমকে যাওয়ার পথে শুভর পড়াশোনা, সহায়তায় এবিজি ফাউন্ডেশন Logo দেবীগঞ্জে স্বামীর রেখে যাওয়া সম্পত্তি দখলের অভিযোগ  Logo বিদেশে পড়াশোনার সুযোগ জানতে বসছে আন্তর্জাতিক শিক্ষা মেলা Logo অটিজমে অবদান থেকে সম্মানসূচক ডক্টরেট, আন্তর্জাতিক দুই স্বীকৃতি ইয়াশা সোবহানের Logo বিশ্ববিদ্যালয় ফুটবলে প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও সম্প্রীতির মঞ্চ এবিজি ইউনিভার্সিটি কাপ Logo এবিজি ইউনিভার্সিটি কাপ ২০২৬ শুরু, উদ্বোধনে সাবেক তারকা ক্রিকেটাররা Logo ইউরোপে পোশাকের বাজারে মন্দাভাব, উদ্বেগে বাংলাদেশের রপ্তানিকারকরা Logo ৩০ লাখ টাকার প্রাইজমানি, আজ শুরু মাঠের লড়াই Logo বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় জাপানের সহযোগিতা আরও বিস্তারের প্রত্যাশা Logo এবিজি ইউনিভার্সিটি কাপের ক্রিকেট ও ফুটবল ম্যাচের সময়সূচি একনজরে

আতাল-রাশিদের জুটিতে আফগানিস্তানের বড় জয়

অনলাইন ডেক্স:
  • আপডেট সময় : ০৩:৫২:৫৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬ ১১ বার পড়া হয়েছে

প্রথমে সেদিকউল্লাহ আতাল সেঞ্চুরিতে জয়ের পথ তৈরি হয়ে যায়। পরে সেই পথে বল হাতে ধস নামান রাশিদ খান। আতালের ১০২ ও রাশিদের ৪ উইকেটের দাপটে জিম্বাবুয়েকে ১৫৮ রানে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভসূচনা করেছে আফগানিস্তান।

সোমবার (১৯ অক্টোবর) আবুধাবিতে আগে ব্যাট করে ৫০ ওভারে ২৯৪ রান করে আফগানিস্তান। জবাবে ৩৮.৪ ওভারে ১৩৬ রানেই গুটিয়ে যায় জিম্বাবুয়ে। ৮ ওভারে মাত্র ১৭ রান দিয়ে ৪ উইকেট নিয়ে আফগানদের বড় জয়ের অন্যতম নায়ক রাশিদ।

আফগানিস্তানের বড় সংগ্রহের ভিত গড়ে দেন ইব্রাহিম জাদরান ও আতাল। দ্বিতীয় উইকেটে দুইজনের ১৪০ রানের জুটিতে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয় আফগানরা। ইব্রাহিম সেঞ্চুরির খুব কাছে গিয়ে ৯০ রানে থামলেও আটাল ঠিকই পৌঁছে যান তিন অঙ্কে।

১০৯ বলে সেঞ্চুরি পূর্ণ করে ১০২ রান করেন বাঁহাতি এই ব্যাটসম্যান। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে আগের ইনিংসেও সেঞ্চুরি করেছিলেন আতাল। বাংলাদেশের বিপক্ষে একমাত্র টেস্টের দ্বিতীয় ইনিংসে তার ব্যাট থেকে এসেছিল ১১১ রান।

ওয়ানডেতে এটি তার তৃতীয় সেঞ্চুরি। এর আগে এই সংস্করণে তার সর্বোচ্চ দুইটি ইনিংস ছিল ৯৮ ও ১৪৩ রানের। যদিও শুরুতে কিছুটা ধীর ছিলেন আতাল। প্রথম ২২ বলে করেছিলেন মাত্র ৮ রান। পরে রানের গতি বাড়িয়ে ৫৯ বলে ফিফটি পূর্ণ করেন তিনি।

সেঞ্চুরি আসে ১০৯ বলে; কিন্তু পরের বলেই ব্র্যাড ইভান্সকে পুল করে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন আতাল। এরপর দ্রুত কয়েকটি উইকেট হারিয়ে ৩০০ রানের আগেই থামে আফগানদের ইনিংস। ব্রাড ইভান্স ৩ ও মুজারাবানি দুইটি উইকেট নেন।

রান তাড়ায় শুরু থেকেই চাপে পড়ে জিম্বাবুয়ে। ৪৩ রানেই হারায় চার উইকেট। সেখান থেকে সিকান্দার রাজা ও রায়ান বার্লের ৬৪ রানের জুটি কিছুটা প্রতিরোধ গড়ে। কিন্তু ৩১ রান করা বার্লকে এলবিডব্লিউ করে জুটি ভাঙেন রাশিদ।

পরে ৪৮ রান করা রাজাকে বোল্ড করে জিম্বাবুয়ের শেষ আশাটুকুও শেষ করে দেন তিনি। রাশিদের পাশাপাশি ফাজালহাক ফারুকি নেন ২ উইকেট। আফগান বোলারদের সামনে কোনো পর্যায়েই জয়ের সম্ভাবনা তৈরি করতে পারেনি জিম্বাবুয়ে।

এই জয়ের পর ত্রিদেশীয় সিরিজে আফগানিস্তানের পথ সহজ হলো, আর বাংলাদেশের সমীকরণ কঠিন। প্রাথমিক পর্বের শেষ ম্যাচে আগামীকাল বুধবার আফগানিস্তানের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। ফাইনালে উঠতে শান্ত-হৃদয়দের জিততেই হবে, পাশাপাশি রান রেটের হিসাবও নিজেদের পক্ষে আনতে হবে।

Share this news as a Photo Card

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

19 October 2026

আতাল-রাশিদের জুটিতে আফগানিস্তানের বড় জয়

www.uttorersongbad.com

আতাল-রাশিদের জুটিতে আফগানিস্তানের বড় জয়

আপডেট সময় : ০৩:৫২:৫৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬

প্রথমে সেদিকউল্লাহ আতাল সেঞ্চুরিতে জয়ের পথ তৈরি হয়ে যায়। পরে সেই পথে বল হাতে ধস নামান রাশিদ খান। আতালের ১০২ ও রাশিদের ৪ উইকেটের দাপটে জিম্বাবুয়েকে ১৫৮ রানে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভসূচনা করেছে আফগানিস্তান।

সোমবার (১৯ অক্টোবর) আবুধাবিতে আগে ব্যাট করে ৫০ ওভারে ২৯৪ রান করে আফগানিস্তান। জবাবে ৩৮.৪ ওভারে ১৩৬ রানেই গুটিয়ে যায় জিম্বাবুয়ে। ৮ ওভারে মাত্র ১৭ রান দিয়ে ৪ উইকেট নিয়ে আফগানদের বড় জয়ের অন্যতম নায়ক রাশিদ।

আফগানিস্তানের বড় সংগ্রহের ভিত গড়ে দেন ইব্রাহিম জাদরান ও আতাল। দ্বিতীয় উইকেটে দুইজনের ১৪০ রানের জুটিতে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয় আফগানরা। ইব্রাহিম সেঞ্চুরির খুব কাছে গিয়ে ৯০ রানে থামলেও আটাল ঠিকই পৌঁছে যান তিন অঙ্কে।

১০৯ বলে সেঞ্চুরি পূর্ণ করে ১০২ রান করেন বাঁহাতি এই ব্যাটসম্যান। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে আগের ইনিংসেও সেঞ্চুরি করেছিলেন আতাল। বাংলাদেশের বিপক্ষে একমাত্র টেস্টের দ্বিতীয় ইনিংসে তার ব্যাট থেকে এসেছিল ১১১ রান।

ওয়ানডেতে এটি তার তৃতীয় সেঞ্চুরি। এর আগে এই সংস্করণে তার সর্বোচ্চ দুইটি ইনিংস ছিল ৯৮ ও ১৪৩ রানের। যদিও শুরুতে কিছুটা ধীর ছিলেন আতাল। প্রথম ২২ বলে করেছিলেন মাত্র ৮ রান। পরে রানের গতি বাড়িয়ে ৫৯ বলে ফিফটি পূর্ণ করেন তিনি।

সেঞ্চুরি আসে ১০৯ বলে; কিন্তু পরের বলেই ব্র্যাড ইভান্সকে পুল করে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন আতাল। এরপর দ্রুত কয়েকটি উইকেট হারিয়ে ৩০০ রানের আগেই থামে আফগানদের ইনিংস। ব্রাড ইভান্স ৩ ও মুজারাবানি দুইটি উইকেট নেন।

রান তাড়ায় শুরু থেকেই চাপে পড়ে জিম্বাবুয়ে। ৪৩ রানেই হারায় চার উইকেট। সেখান থেকে সিকান্দার রাজা ও রায়ান বার্লের ৬৪ রানের জুটি কিছুটা প্রতিরোধ গড়ে। কিন্তু ৩১ রান করা বার্লকে এলবিডব্লিউ করে জুটি ভাঙেন রাশিদ।

পরে ৪৮ রান করা রাজাকে বোল্ড করে জিম্বাবুয়ের শেষ আশাটুকুও শেষ করে দেন তিনি। রাশিদের পাশাপাশি ফাজালহাক ফারুকি নেন ২ উইকেট। আফগান বোলারদের সামনে কোনো পর্যায়েই জয়ের সম্ভাবনা তৈরি করতে পারেনি জিম্বাবুয়ে।

এই জয়ের পর ত্রিদেশীয় সিরিজে আফগানিস্তানের পথ সহজ হলো, আর বাংলাদেশের সমীকরণ কঠিন। প্রাথমিক পর্বের শেষ ম্যাচে আগামীকাল বুধবার আফগানিস্তানের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। ফাইনালে উঠতে শান্ত-হৃদয়দের জিততেই হবে, পাশাপাশি রান রেটের হিসাবও নিজেদের পক্ষে আনতে হবে।

Share this news as a Photo Card