ঢাকা ০৩:৩২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo অর্থাভাবে থমকে যাওয়ার পথে শুভর পড়াশোনা, সহায়তায় এবিজি ফাউন্ডেশন Logo দেবীগঞ্জে স্বামীর রেখে যাওয়া সম্পত্তি দখলের অভিযোগ  Logo বিদেশে পড়াশোনার সুযোগ জানতে বসছে আন্তর্জাতিক শিক্ষা মেলা Logo অটিজমে অবদান থেকে সম্মানসূচক ডক্টরেট, আন্তর্জাতিক দুই স্বীকৃতি ইয়াশা সোবহানের Logo বিশ্ববিদ্যালয় ফুটবলে প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও সম্প্রীতির মঞ্চ এবিজি ইউনিভার্সিটি কাপ Logo এবিজি ইউনিভার্সিটি কাপ ২০২৬ শুরু, উদ্বোধনে সাবেক তারকা ক্রিকেটাররা Logo ইউরোপে পোশাকের বাজারে মন্দাভাব, উদ্বেগে বাংলাদেশের রপ্তানিকারকরা Logo ৩০ লাখ টাকার প্রাইজমানি, আজ শুরু মাঠের লড়াই Logo বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় জাপানের সহযোগিতা আরও বিস্তারের প্রত্যাশা Logo এবিজি ইউনিভার্সিটি কাপের ক্রিকেট ও ফুটবল ম্যাচের সময়সূচি একনজরে

বাংলাদেশ ব্যবসা ও বিনিয়োগের জন্য উন্মুক্ত: প্রধানমন্ত্রী

উত্তরের সংবাদ অনলাইন:
  • আপডেট সময় : ০২:৫৯:৪১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৩ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশকে বিনিয়োগের জন্য আরও আকর্ষণীয়, স্থিতিশীল ও নির্ভরযোগ্য গন্তব্য হিসেবে গড়ে তুলতে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, বাংলাদেশের অবস্থান ব্যবসা ও বিনিয়োগের জন্য উন্মুক্ত।

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্ক সফররত প্রধানমন্ত্রী শুক্রবার স্থানীয় সময় সকালে ম্যানহাটনে জেপি মর্গানের সদরদফতরে ওয়াল স্ট্রিটের শীর্ষ ব্যবসায়ী, বিনিয়োগকারী ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে এক প্রাতরাশ বৈঠকে এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিনিয়োগকারীদের জন্য আস্থা, নীতির ধারাবাহিকতা ও ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। রাজনীতিতে আসার আগে ব্যবসায় কাজ করার অভিজ্ঞতা থেকে তিনি এসব বিষয়ের গুরুত্ব উপলব্ধি করেছেন বলেও উল্লেখ করেন।

বিনিয়োগের নতুন সুযোগ
তারেক রহমান বলেন, ১৮ কোটিরও বেশি মানুষের বাংলাদেশে রয়েছে বড় অভ্যন্তরীণ বাজার, তরুণ ও কর্মক্ষম জনগোষ্ঠী এবং কৌশলগত ভৌগোলিক অবস্থান। তৈরি পোশাক ও উৎপাদন খাতে বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের সক্ষমতার পাশাপাশি নতুন নতুন খাতেও বিনিয়োগের সুযোগ তৈরি হয়েছে।

তিনি জ্বালানি, অবকাঠামো, লজিস্টিকস, প্রযুক্তি, ডিজিটাল সেবা, জলবায়ু অর্থায়ন, উৎপাদন, কৃষি ও স্বাস্থ্যসেবাকে সম্ভাবনাময় বিনিয়োগ খাত হিসেবে তুলে ধরেন।

প্রধানমন্ত্রী জানান, ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশের অর্থনীতির আকার এক ট্রিলিয়ন ডলারে উন্নীত করা এবং দেশকে বৈশ্বিক উৎপাদন, বিনিয়োগ ও সেবা কার্যক্রমের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে পরিণত করার লক্ষ্য নিয়ে সরকার কাজ করছে।

ব্যবসার পরিবেশ সহজ করার উদ্যোগ
বিনিয়োগকারীদের জন্য ব্যবসা পরিচালনার প্রক্রিয়া আরও সহজ করতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী। এর মধ্যে রয়েছে নিয়ন্ত্রক ব্যবস্থা সহজীকরণ, বিনিয়োগ সুরক্ষা জোরদার, বিধিবিধান সংস্কার, কর ও ভ্যাট ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং মুনাফা ও মূলধন সহজে দেশে ফেরত নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা। একই সঙ্গে অবকাঠামো উন্নয়নের ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদা

প্রধানমন্ত্রী বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও বিস্তৃত করতে সরকার আগ্রহী। পাশাপাশি জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে নতুন অর্থনৈতিক কাঠামো, ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে নতুন অংশীদারত্ব এবং চীনের সঙ্গে অর্থনৈতিক সহযোগিতা আরও জোরদারের উদ্যোগের কথাও তুলে ধরেন তিনি।
তার মতে, বিশ্বের বড় অর্থনীতিগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের যোগাযোগ ও অংশীদারত্ব বাড়াতে এসব উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

সার্বভৌম বন্ডে জেপি মর্গানের ভূমিকা
বাংলাদেশের প্রথম সার্বভৌম বন্ড ইস্যুতে জেপি মর্গানের ভূমিকার প্রশংসা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এর ফলে আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের কাছে বাংলাদেশের জন্য একটি নতুন আর্থিক রেফারেন্স তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে বাংলাদেশের পুঁজিবাজারকে বৈশ্বিক আর্থিক ব্যবস্থার সঙ্গে আরও সংযুক্ত করার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।

বিনিয়োগকারীরা কোনো দেশের নীতির ঘোষণার পাশাপাশি তার বাস্তব প্রয়োগও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিনিয়োগ সুরক্ষা, নীতির পূর্বানুমেয়তা, মূলধন স্থানান্তর এবং মুনাফা দেশে ফিরিয়ে নেওয়ার সুবিধা—এসব বিষয় বিনিয়োগ সিদ্ধান্তে গুরুত্বপূর্ণ।

দীর্ঘমেয়াদি অংশীদারত্বের আহ্বান
প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকারের দায়িত্ব হচ্ছে কার্যকর নীতি ও তার যথাযথ বাস্তবায়নের মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের আস্থা তৈরি করা। সরকার স্বল্পমেয়াদি লেনদেনের পরিবর্তে দীর্ঘমেয়াদি ও পারস্পরিক সুবিধাভিত্তিক অংশীদারত্ব গড়ে তুলতে চায়।

ওয়াল স্ট্রিটের প্রতিষ্ঠানগুলোকে বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, বাংলাদেশকে এমন একটি শক্তিশালী ব্যবসায়িক প্ল্যাটফর্ম হিসেবে গড়ে তুলতে চায় সরকার, যেখান থেকে বিনিয়োগকারীরা বৃহত্তর আঞ্চলিক বাজারে কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবেন।
তিনি জানান, অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এবং বিনিয়োগ ও পুঁজিবাজারবিষয়ক বিশেষ সহকারী তানভীর গনি বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে তাদের বিভিন্ন বিষয় সরকারের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের কাছে তুলে ধরবেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকারের লক্ষ্য হলো বিনিয়োগ ও বাণিজ্য বাড়ানো, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, প্রযুক্তির সম্প্রসারণ এবং বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে আরও শক্তিশালী অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব গড়ে তোলা।

বৈঠকে অংশ নেওয়া বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশে দীর্ঘমেয়াদি ভিত্তিতে ব্যবসা গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তাদের মতামত শোনা এবং বিনিয়োগের পথে থাকা সম্ভাব্য বাধা দূর করতে সরকার কাজ করতে প্রস্তুত। বৈঠকে ওয়াল স্ট্রিটের বিভিন্ন শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়ী, বিনিয়োগকারী ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
সূত্র: বাসস

Share this news as a Photo Card

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

25 September 2026

বাংলাদেশ ব্যবসা ও বিনিয়োগের জন্য উন্মুক্ত: প্রধানমন্ত্রী

www.uttorersongbad.com

বাংলাদেশ ব্যবসা ও বিনিয়োগের জন্য উন্মুক্ত: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০২:৫৯:৪১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বাংলাদেশকে বিনিয়োগের জন্য আরও আকর্ষণীয়, স্থিতিশীল ও নির্ভরযোগ্য গন্তব্য হিসেবে গড়ে তুলতে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, বাংলাদেশের অবস্থান ব্যবসা ও বিনিয়োগের জন্য উন্মুক্ত।

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্ক সফররত প্রধানমন্ত্রী শুক্রবার স্থানীয় সময় সকালে ম্যানহাটনে জেপি মর্গানের সদরদফতরে ওয়াল স্ট্রিটের শীর্ষ ব্যবসায়ী, বিনিয়োগকারী ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে এক প্রাতরাশ বৈঠকে এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিনিয়োগকারীদের জন্য আস্থা, নীতির ধারাবাহিকতা ও ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। রাজনীতিতে আসার আগে ব্যবসায় কাজ করার অভিজ্ঞতা থেকে তিনি এসব বিষয়ের গুরুত্ব উপলব্ধি করেছেন বলেও উল্লেখ করেন।

বিনিয়োগের নতুন সুযোগ
তারেক রহমান বলেন, ১৮ কোটিরও বেশি মানুষের বাংলাদেশে রয়েছে বড় অভ্যন্তরীণ বাজার, তরুণ ও কর্মক্ষম জনগোষ্ঠী এবং কৌশলগত ভৌগোলিক অবস্থান। তৈরি পোশাক ও উৎপাদন খাতে বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের সক্ষমতার পাশাপাশি নতুন নতুন খাতেও বিনিয়োগের সুযোগ তৈরি হয়েছে।

তিনি জ্বালানি, অবকাঠামো, লজিস্টিকস, প্রযুক্তি, ডিজিটাল সেবা, জলবায়ু অর্থায়ন, উৎপাদন, কৃষি ও স্বাস্থ্যসেবাকে সম্ভাবনাময় বিনিয়োগ খাত হিসেবে তুলে ধরেন।

প্রধানমন্ত্রী জানান, ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশের অর্থনীতির আকার এক ট্রিলিয়ন ডলারে উন্নীত করা এবং দেশকে বৈশ্বিক উৎপাদন, বিনিয়োগ ও সেবা কার্যক্রমের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে পরিণত করার লক্ষ্য নিয়ে সরকার কাজ করছে।

ব্যবসার পরিবেশ সহজ করার উদ্যোগ
বিনিয়োগকারীদের জন্য ব্যবসা পরিচালনার প্রক্রিয়া আরও সহজ করতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী। এর মধ্যে রয়েছে নিয়ন্ত্রক ব্যবস্থা সহজীকরণ, বিনিয়োগ সুরক্ষা জোরদার, বিধিবিধান সংস্কার, কর ও ভ্যাট ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং মুনাফা ও মূলধন সহজে দেশে ফেরত নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা। একই সঙ্গে অবকাঠামো উন্নয়নের ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদা

প্রধানমন্ত্রী বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও বিস্তৃত করতে সরকার আগ্রহী। পাশাপাশি জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে নতুন অর্থনৈতিক কাঠামো, ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে নতুন অংশীদারত্ব এবং চীনের সঙ্গে অর্থনৈতিক সহযোগিতা আরও জোরদারের উদ্যোগের কথাও তুলে ধরেন তিনি।
তার মতে, বিশ্বের বড় অর্থনীতিগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের যোগাযোগ ও অংশীদারত্ব বাড়াতে এসব উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

সার্বভৌম বন্ডে জেপি মর্গানের ভূমিকা
বাংলাদেশের প্রথম সার্বভৌম বন্ড ইস্যুতে জেপি মর্গানের ভূমিকার প্রশংসা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এর ফলে আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের কাছে বাংলাদেশের জন্য একটি নতুন আর্থিক রেফারেন্স তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে বাংলাদেশের পুঁজিবাজারকে বৈশ্বিক আর্থিক ব্যবস্থার সঙ্গে আরও সংযুক্ত করার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।

বিনিয়োগকারীরা কোনো দেশের নীতির ঘোষণার পাশাপাশি তার বাস্তব প্রয়োগও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিনিয়োগ সুরক্ষা, নীতির পূর্বানুমেয়তা, মূলধন স্থানান্তর এবং মুনাফা দেশে ফিরিয়ে নেওয়ার সুবিধা—এসব বিষয় বিনিয়োগ সিদ্ধান্তে গুরুত্বপূর্ণ।

দীর্ঘমেয়াদি অংশীদারত্বের আহ্বান
প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকারের দায়িত্ব হচ্ছে কার্যকর নীতি ও তার যথাযথ বাস্তবায়নের মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের আস্থা তৈরি করা। সরকার স্বল্পমেয়াদি লেনদেনের পরিবর্তে দীর্ঘমেয়াদি ও পারস্পরিক সুবিধাভিত্তিক অংশীদারত্ব গড়ে তুলতে চায়।

ওয়াল স্ট্রিটের প্রতিষ্ঠানগুলোকে বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, বাংলাদেশকে এমন একটি শক্তিশালী ব্যবসায়িক প্ল্যাটফর্ম হিসেবে গড়ে তুলতে চায় সরকার, যেখান থেকে বিনিয়োগকারীরা বৃহত্তর আঞ্চলিক বাজারে কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবেন।
তিনি জানান, অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এবং বিনিয়োগ ও পুঁজিবাজারবিষয়ক বিশেষ সহকারী তানভীর গনি বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে তাদের বিভিন্ন বিষয় সরকারের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের কাছে তুলে ধরবেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকারের লক্ষ্য হলো বিনিয়োগ ও বাণিজ্য বাড়ানো, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, প্রযুক্তির সম্প্রসারণ এবং বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে আরও শক্তিশালী অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব গড়ে তোলা।

বৈঠকে অংশ নেওয়া বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশে দীর্ঘমেয়াদি ভিত্তিতে ব্যবসা গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তাদের মতামত শোনা এবং বিনিয়োগের পথে থাকা সম্ভাব্য বাধা দূর করতে সরকার কাজ করতে প্রস্তুত। বৈঠকে ওয়াল স্ট্রিটের বিভিন্ন শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়ী, বিনিয়োগকারী ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
সূত্র: বাসস

Share this news as a Photo Card