মাগরিবের জামাতে দ্রুত শরিক হয়ে জান্নাতের পথে এগিয়ে চলুন
- আপডেট সময় : ০১:৫৫:৫০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৭৩ বার পড়া হয়েছে
মাগরিবের আজান শোনার পর দ্রুত সালাতের প্রস্তুতি নিয়ে জামাতে শরিক হওয়া একজন মুমিনের গুরুত্বপূর্ণ আমল। দিনের শেষভাগে ও রাতের শুরুতে আদায় করা এ সালাতের প্রতি অবহেলা না করে সময়মতো জামাতে অংশগ্রহণের প্রতি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
হজরত আনাস ইবনে মালিক (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, আজান ও ইকামতের মধ্যবর্তী সময়ে করা দোয়া প্রত্যাখ্যাত হয় না। সাহাবায়ে কেরাম জানতে চাইলে তিনি দুনিয়া ও আখিরাতের কল্যাণ ও নিরাপত্তা প্রার্থনা করতে বলেন।
মাগরিবের আজান ও ইকামতের মধ্যবর্তী সময়টি তাই একজন মুমিনের জন্য দোয়া ও ইবাদতের গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ। এ সময় অযথা কাজে ব্যস্ত না থেকে দ্রুত মসজিদে গিয়ে জামাতে অংশগ্রহণ এবং আল্লাহর কাছে নিজের ও উম্মতের কল্যাণ প্রার্থনা করা উচিত।
জামাতে সালাত আদায়ের পাশাপাশি সালাতের অপেক্ষায় মসজিদে অবস্থান করাও ফজিলতপূর্ণ আমল। হাদিসে জামাতের প্রতি গুরুত্ব, সালাতের অপেক্ষা এবং ইবাদতের প্রতি মনোযোগী থাকার ব্যাপারে বিশেষ উৎসাহ দেওয়া হয়েছে।
মাগরিবের আজান শোনার পর দ্রুত সাড়া দিয়ে মসজিদে উপস্থিত হওয়া শুধু জামাতের সওয়াব লাভের সুযোগই তৈরি করে না, বরং এটি একজন মুসলমানের সালাতের প্রতি আন্তরিকতা ও আল্লাহর আনুগত্যেরও প্রকাশ।
তাই মুমিনদের উচিত মাগরিবের সালাতকে অবহেলা না করে আজান শোনার সঙ্গে সঙ্গে প্রস্তুতি নেওয়া, জামাতে শরিক হওয়া এবং আজান ও ইকামতের মধ্যবর্তী মূল্যবান সময়ে দুনিয়া ও আখিরাতের কল্যাণের জন্য দোয়া করা।
সূত্র: সুনানে তিরমিজি, হাদিস নং ২১২; সহিহ আত-তারগিব ওয়াত তারহিব, হাদিস নং ৩০৪
























