ঢাকা ১০:২০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo নিরাপদ সড়ক গড়তে দোষারোপ নয়, সম্মিলিত উদ্যোগ জরুরি: সড়কমন্ত্রী Logo ৩২ গ্রামে মাইকিং, উৎসবমুখর পরিবেশে নতুনকুঁড়ির খেলোয়াড় বাছাই Logo ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় শুরু জাতীয় ফার্নিচার মেলা Logo মাদক সেবনের অভিযোগে ৮৫ জনের সাজা, উঠছে নানা প্রশ্ন Logo শাহজালালের এয়ারসাইডে নজরদারির বাইরে শত শত যানবাহন Logo অর্থাভাবে থমকে যাওয়ার পথে শুভর পড়াশোনা, সহায়তায় এবিজি ফাউন্ডেশন Logo দেবীগঞ্জে স্বামীর রেখে যাওয়া সম্পত্তি দখলের অভিযোগ  Logo বিদেশে পড়াশোনার সুযোগ জানতে বসছে আন্তর্জাতিক শিক্ষা মেলা Logo অটিজমে অবদান থেকে সম্মানসূচক ডক্টরেট, আন্তর্জাতিক দুই স্বীকৃতি ইয়াশা সোবহানের Logo বিশ্ববিদ্যালয় ফুটবলে প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও সম্প্রীতির মঞ্চ এবিজি ইউনিভার্সিটি কাপ

নিরাপদ সড়ক গড়তে দোষারোপ নয়, সম্মিলিত উদ্যোগ জরুরি: সড়কমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক:
  • আপডেট সময় : ০১:০৫:৪৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬ ৪ বার পড়া হয়েছে

২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় হতাহতের সংখ্যা অর্ধেকে নামিয়ে আনার লক্ষ্য | ২০২৭ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে সমন্বিত সড়ক নির

 সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ও আহতের সংখ্যা ২০৩০ সালের মধ্যে অর্ধেকে নামিয়ে আনতে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম এমপি। তিনি বলেছেন, নিরাপদ সড়ক প্রতিষ্ঠায় সরকার, পরিবহন মালিক, শ্রমিক, চালক, যাত্রী, আইন প্রয়োগকারী সংস্থা ও সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের সমন্বিতভাবে দায়িত্ব পালন করতে হবে। পারস্পরিক দোষারোপের সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে এসে সড়কে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠায় সবাইকে কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে।

বুধবার (২৮ অক্টোবর) সকাল ১১টায় জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস-২০২৬ উপলক্ষে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের অডিটোরিয়ামে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব কোনো একক প্রতিষ্ঠান বা পক্ষের নয়। পরিবহন খাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবার মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা ও সমন্বয় বাড়াতে হবে। আনুষ্ঠানিকতার মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে বাস্তব সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে সম্মিলিতভাবে সমাধানের উদ্যোগ নিতে হবে।

সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে শেখ রবিউল আলম বলেন, “আমরা কেউ কারও প্রতিপক্ষ নই; সবার দায়িত্ব নিরাপদ সড়ক প্রতিষ্ঠা করা।”

দক্ষ চালক ও ফিটনেসবিহীন যানবাহন নিয়ন্ত্রণে গুরুত্ব

সড়ক দুর্ঘটনা কমাতে চালকদের দক্ষতা, দায়িত্বশীল আচরণ এবং যানবাহনের ফিটনেস নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, চালকদের প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা বৃদ্ধির পাশাপাশি যোগ্য চালক নিয়োগে পরিবহন মালিকদের আরও সক্রিয় হতে হবে।

দক্ষ চালকের অভাবের কথা বলে অনিরাপদ যানবাহন কিংবা অদক্ষ চালক দিয়ে পরিবহন পরিচালনা অব্যাহত রাখা গ্রহণযোগ্য নয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, পরিবহন মালিকেরা তাঁদের বিবেচনায় যোগ্য চালকদের সুপারিশ করলে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে লাইসেন্স প্রদানের বিষয়টি বিবেচনা করা হবে। চালকের সংকটের কারণে সড়ক নিরাপত্তার সঙ্গে কোনো আপস করা যাবে না। প্রতিটি পরিবহন প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব যানবাহনে দক্ষ ও যোগ্য চালক নিয়োগ নিশ্চিত করা উচিত।

২০২৭ সালের মধ্যে সমন্বিত সড়ক নিরাপত্তা আইন

সড়ক নিরাপত্তায় সরকারের চলমান উদ্যোগ তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, যানবাহনের গতি নিয়ন্ত্রণ, হেলমেট ব্যবহারের নীতিমালা বাস্তবায়ন এবং দুর্ঘটনাপ্রবণ স্থান চিহ্নিত করে সেসব এলাকার ঝুঁকি কমাতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। বিশ্বব্যাংকের সহায়তায় দুর্ঘটনাপ্রবণ এলাকাগুলোর ঝুঁকি নিরসনে কাজ চলছে। মহাসড়কের সঙ্গে আঞ্চলিক সড়কের সংযোগস্থলে দুর্ঘটনা কমাতেও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, ২০২৭ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে একটি সমন্বিত সড়ক নিরাপত্তা আইন প্রণয়নের লক্ষ্য নিয়ে কাজ চলছে।

নির্ভুল তথ্য ও কার্যকর আইন প্রয়োগের তাগিদ

সড়ক দুর্ঘটনায় হতাহতের প্রকৃত সংখ্যা নির্ধারণে নির্ভরযোগ্য তথ্যের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব দিয়ে শেখ রবিউল আলম বলেন, সঠিক তথ্যের ভিত্তিতেই কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ ও দুর্ঘটনা প্রতিরোধ সম্ভব।

তিনি বলেন, বেপরোয়া চালনা ও ফিটনেসবিহীন যানবাহনের বিরুদ্ধে কার্যকর আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে। সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ অব্যাহত রাখতে হবে। পাশাপাশি ট্রাফিক আইন মেনে চলা, অনিরাপদ যানবাহন পরিহার এবং সড়ক ও ফুটপাত দখলমুক্ত রাখতে চালক, যাত্রী ও পরিবহন মালিকসহ সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

মন্ত্রী বলেন, ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় হতাহতের সংখ্যা অর্ধেকে নামিয়ে আনার লক্ষ্য অর্জনে দক্ষ চালক নিশ্চিত করা, ফিটনেসবিহীন যানবাহন নিয়ন্ত্রণ, কার্যকর আইন প্রয়োগ এবং সংশ্লিষ্ট সবার সমন্বিত উদ্যোগ অপরিহার্য।

আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ এবং রেলপথ প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ এমপি; সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি রকিবুল ইসলাম এমপি এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি মো. শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাস এমপি।

সভায় বাস মালিক সমিতি ও পরিবহন শ্রমিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা এবং প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকেরা উপস্থিত ছিলেন।

Share this news as a Photo Card

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

28 October 2026

নিরাপদ সড়ক গড়তে দোষারোপ নয়, সম্মিলিত উদ্যোগ জরুরি: সড়কমন্ত্রী

www.uttorersongbad.com

নিরাপদ সড়ক গড়তে দোষারোপ নয়, সম্মিলিত উদ্যোগ জরুরি: সড়কমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০১:০৫:৪৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬

২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় হতাহতের সংখ্যা অর্ধেকে নামিয়ে আনার লক্ষ্য | ২০২৭ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে সমন্বিত সড়ক নির

 সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ও আহতের সংখ্যা ২০৩০ সালের মধ্যে অর্ধেকে নামিয়ে আনতে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম এমপি। তিনি বলেছেন, নিরাপদ সড়ক প্রতিষ্ঠায় সরকার, পরিবহন মালিক, শ্রমিক, চালক, যাত্রী, আইন প্রয়োগকারী সংস্থা ও সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের সমন্বিতভাবে দায়িত্ব পালন করতে হবে। পারস্পরিক দোষারোপের সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে এসে সড়কে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠায় সবাইকে কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে।

বুধবার (২৮ অক্টোবর) সকাল ১১টায় জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস-২০২৬ উপলক্ষে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের অডিটোরিয়ামে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব কোনো একক প্রতিষ্ঠান বা পক্ষের নয়। পরিবহন খাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবার মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা ও সমন্বয় বাড়াতে হবে। আনুষ্ঠানিকতার মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে বাস্তব সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে সম্মিলিতভাবে সমাধানের উদ্যোগ নিতে হবে।

সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে শেখ রবিউল আলম বলেন, “আমরা কেউ কারও প্রতিপক্ষ নই; সবার দায়িত্ব নিরাপদ সড়ক প্রতিষ্ঠা করা।”

দক্ষ চালক ও ফিটনেসবিহীন যানবাহন নিয়ন্ত্রণে গুরুত্ব

সড়ক দুর্ঘটনা কমাতে চালকদের দক্ষতা, দায়িত্বশীল আচরণ এবং যানবাহনের ফিটনেস নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, চালকদের প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা বৃদ্ধির পাশাপাশি যোগ্য চালক নিয়োগে পরিবহন মালিকদের আরও সক্রিয় হতে হবে।

দক্ষ চালকের অভাবের কথা বলে অনিরাপদ যানবাহন কিংবা অদক্ষ চালক দিয়ে পরিবহন পরিচালনা অব্যাহত রাখা গ্রহণযোগ্য নয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, পরিবহন মালিকেরা তাঁদের বিবেচনায় যোগ্য চালকদের সুপারিশ করলে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে লাইসেন্স প্রদানের বিষয়টি বিবেচনা করা হবে। চালকের সংকটের কারণে সড়ক নিরাপত্তার সঙ্গে কোনো আপস করা যাবে না। প্রতিটি পরিবহন প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব যানবাহনে দক্ষ ও যোগ্য চালক নিয়োগ নিশ্চিত করা উচিত।

২০২৭ সালের মধ্যে সমন্বিত সড়ক নিরাপত্তা আইন

সড়ক নিরাপত্তায় সরকারের চলমান উদ্যোগ তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, যানবাহনের গতি নিয়ন্ত্রণ, হেলমেট ব্যবহারের নীতিমালা বাস্তবায়ন এবং দুর্ঘটনাপ্রবণ স্থান চিহ্নিত করে সেসব এলাকার ঝুঁকি কমাতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। বিশ্বব্যাংকের সহায়তায় দুর্ঘটনাপ্রবণ এলাকাগুলোর ঝুঁকি নিরসনে কাজ চলছে। মহাসড়কের সঙ্গে আঞ্চলিক সড়কের সংযোগস্থলে দুর্ঘটনা কমাতেও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, ২০২৭ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে একটি সমন্বিত সড়ক নিরাপত্তা আইন প্রণয়নের লক্ষ্য নিয়ে কাজ চলছে।

নির্ভুল তথ্য ও কার্যকর আইন প্রয়োগের তাগিদ

সড়ক দুর্ঘটনায় হতাহতের প্রকৃত সংখ্যা নির্ধারণে নির্ভরযোগ্য তথ্যের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব দিয়ে শেখ রবিউল আলম বলেন, সঠিক তথ্যের ভিত্তিতেই কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ ও দুর্ঘটনা প্রতিরোধ সম্ভব।

তিনি বলেন, বেপরোয়া চালনা ও ফিটনেসবিহীন যানবাহনের বিরুদ্ধে কার্যকর আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে। সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ অব্যাহত রাখতে হবে। পাশাপাশি ট্রাফিক আইন মেনে চলা, অনিরাপদ যানবাহন পরিহার এবং সড়ক ও ফুটপাত দখলমুক্ত রাখতে চালক, যাত্রী ও পরিবহন মালিকসহ সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

মন্ত্রী বলেন, ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় হতাহতের সংখ্যা অর্ধেকে নামিয়ে আনার লক্ষ্য অর্জনে দক্ষ চালক নিশ্চিত করা, ফিটনেসবিহীন যানবাহন নিয়ন্ত্রণ, কার্যকর আইন প্রয়োগ এবং সংশ্লিষ্ট সবার সমন্বিত উদ্যোগ অপরিহার্য।

আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ এবং রেলপথ প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ এমপি; সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি রকিবুল ইসলাম এমপি এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি মো. শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাস এমপি।

সভায় বাস মালিক সমিতি ও পরিবহন শ্রমিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা এবং প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকেরা উপস্থিত ছিলেন।

Share this news as a Photo Card